Volume 1 Issue II

Article Information
Journal: Abhisaron
Volume: 1 | Issue: II | Year: 2026
Pages: 27–35
Accepted:02.07.2026
Published:20.07.2026

জীবনানন্দের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাব্যে সময়চেতনা (১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ—১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ) / JIBANANANDER DITIYO PARJAYER KABYE SAMAYCHETANA
অংশুমান খাঁন / ANSHUMAN KHAN

Abstract:

১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ—১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনে এই সময়পর্বটি সব থেকে ফলবতী। তিনি এই পর্বের বেশিরভাগ সময় কাব্যচর্চার মধ্যেই অতিবাহিত করেছেন। তাঁর সমগ্র কাব্যসৃষ্টির অধিকাংশ এই সময়েই রচিত। শুধু পরিমাণের দিক থেকে নয় কাব্যমূল্যের দিক থেকেও এই সময়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জীবনানন্দ দাশের কাব্যে যে পরিণতিবোধ দেখতে পাই তা আসলে এই সময়পর্বেই গঠিত। তাঁর ব্যক্তিজীবনের দিকে তাকালেও দেখা যাবে এই সময় তিনি একটু স্থির হতে পেরেছিলেন জীবনে। এই পর্বের অধিকাংশ সময়ই তাঁর বরিশালে কেটেছিল। কিন্তু কলকাতার নাগরিক জীবন থেকে তিনি বঞ্চিত ছিলেন না। তাঁর কাব্য সেকথাই বলে। তাঁর কাব্যের বিরুদ্ধে যে দুর্বোধ্যতার অভিযোগ ওঠে তা এই সময়পর্বে রচিত কাব্যের ক্ষেত্রেই। বাংলার গ্রামজীবন ও ইন্দ্রিয় নির্ভর চিত্রকল্পের পরিবর্তে অনুভূতির প্রগাঢ় জগৎ থেকে তিনি চিত্রকল্প সংগ্রহ করতে শুরু করলেন, ফলে সাধারণ পাঠকের পক্ষে এই কবিতাগুলি জটিল বলে মনে হতে লাগল। আসলে সময়ের চিহ্নকে ধারণ করে থাকার ফলে কবিতাগুলি পাঠকের কাছ থেকে যে পরিমাণ মনোযোগ চেয়েছিল তা দেওয়া সব সাধারণ পাঠকের পক্ষে সম্ভব ছিল না। শুধু সাধারণ পাঠক নয় সজনীকান্ত দাস, সমর সেন, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর মতো কবি-সমালোচকেরাও জীবনানন্দের কবিতার দিকে আঙুল তুলেছেন। জীবনানন্দ কখনও প্রত্যুত্তর দিয়েছেন কখনও দেননি। কিন্তু সাহিত্যচর্চায় নিজের কক্ষ থেকে কখনও চ্যুত হননি।

Keywords: জীবনানন্দ, ধূসর পাণ্ডুলিপি, মহাপৃথিবী, বনলতা সেন, সাতটি তারার তিমির, সজনীকান্ত, সমর সেন, নিরুক্ত, নীরেন্দ্রনাথ, সঞ্জয় ভট্টাচার্য, বুদ্ধদেব বসু, রিল্‌কে, হপকিন্স, আলোক সরকার, সময়চেতনা, পরিচয়, কবিতা

VIEW FULL ARTICLE